সংবিধান

বাংলাদশ ইসলামী ছাত্রশিবির

সংজ্ঞা ঃ
কোন সংস্থা কি নিয়মে চলবে, তার সমস্ত বিভাগ কিভাবে পরিচালিত হবে ত্রসব বিষয় যেখানে লিপিবদ্ধ থাকে তাকে সংবিধান বলে।
গুরুত্ব ঃ ক) চিন্তাকে কেন্দ্রীভূত করে খ) চিন্তাকারীকে ত্রকদিকে প্রভাবিত করে গ) দায়িত্ব পালনে সমন্বয় সাধন করে
ঘ) নেতৃত্ব ও কর্মীবাহিনীর সমন্বয় সাধন করে ঙ) ইতিহাস সংরক্ষন করে চ) নৈতিক মূল্যবাধের সমন্বয় সাধন করে।
উত্তম সংবিধানের বৈশিষ্ট্য ঃ
ক) সুস্পষ্ট খ) নমনীয়তা গ) মোটামুটি সংক্ষিপ্ত ঘ) নাগরিক অধিকার লিপিবদ্ধ থাকবে।
সংবিধানের প্রয়োজনীয়তা: ১. জনশক্তিকে একটি সাধারন লক্ষ্য উদ্দেশ্যের দিকে পরিচালিত করার জন্য।
২. নেতাদের দায়িত্ব কর্তব্য এবং জবাবদিহিতা নির্নয় করা। ৩. কর্মীদের দায়িত্ব কর্তব্য এবং জবাবদিহিতা নির্নয় করা।
৪. নেতা ও কর্মীদের মধ্যে ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্দিষ্ট করা। ৫. সাংগঠনিক কার্যক্রমগুলো সূষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য।
সংবিধানের উৎস ঃ
১) আল কোরআন ২) আল হাদীস ৩) ইসলামী আন্দোলনের ঐতিহ্য।
সংবিধানের উপাদান ঃ ক) ভূমিকা খ) ধারা-৫০টি গ) পরিশেষ
সংবিধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
সকল ইতিহাসের একটি ইতিহাস রয়েছে। তেমনি বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ও একটি ইতিহাস রয়েছে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান আমলে ইসলামী জমিয়তে পালা বা পাকিস্তান নামে একটি ইসলামী সংঘঠন ছিল। ১৯৪১-১৯৪৭ সালে এ উপমহাদেশে কোন ছাত্র সংঘঠন ছিল না। তখন কমিউনিষ্ট সংঘঠন বেশি জনপ্রিয় ছিল। তারা উপমহাদেশে শ্রমিক, মজুর ও ছাত্রদের অস্ত্রের ও নাস্তিকের দিকে নিয়ে যায়। ১৯৫২ সালে এ সংগঠনের সভাপতি খুররম জাহ মুরাদ খসড়া সংবিধান তৈরি করেন। ১৯৫৬ সালে হোসেন আহমদ নামে একজন পাকিস্তানি ব্যক্তি ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সংগঠনের কাজ শুরু করে এবং নতুন খসড়া সংবিধানের মাধ্যমে। ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বরের পর এ সংগঠনের কাজ আরো জোরদারভাবে চলতে থাকে। ১৯৭৩ সালে কুমিল্লায় গনতন্ত্রের একটি কমিটি গঠন করেন। মীর কাশেম আলী, আ. ন. ম. মুজাহিদ, এ কে এম নজির আহমদ এবং আরো অন্যান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। ১৯৭৬ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর নাজির বাজার কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশের সকল সদস্যদের নিয়ে সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয় বা মূল সংবিধান রচিত হয়।
এ বইটি চারটি অংশে বিভক্ত ঃ
ক) পূর্বকথা খ) ভূমিকা গ) ধারা বর্নণা ঘ) পরিশেষ
পূর্বকথাঃ যে কোন প্রতিষ্ঠানের সংবিধানই মৌলিক দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। সংগঠন পরিচালনা, শৃংখলা বিধান ও নীতিমালা সংরক্ষনে এর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মপদ্ধতি ত্রক পবিত্র আমানত। ত্রর প্রতিটি দিক কুরআন, সুন্নাহ ও ইসলামী আন্দোলনের ঐতিহ্যের আলোকে প্রণয়ন করা হয়েছে। তাই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সকল কর্মতৎপরতা নীতিমালাকে অক্ষুন্ন রেখে পরিবেশ ও পরিস্থিতির দাবী অনুসারে ত্রই সংবিধানে বিভিন্ন সময় কিছু কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে। সংবিধানের বর্তমান এ সমন্বিত সংস্করন সর্বশেষ সংশোধনীসহ প্রকাশিত হল। আল্লাহ তাআলা আমাদের সংবিধানের আলোকে সংগঠনের যাবতীয় কাজ আঞ্জাম দেয়ার তৈফিক দিন। আমীন।
ভূমিকাঃ
এ অংশটি দুইটি অংশে বিভক্ত। যথা- বিশ্বাস, সিদ্বান্ত।
* বিশ্বাস ঃ
তাওহীদ – নিখিল বিশ্বের সৃষ্টি, এর স্থিতি, স্থায়িত্ব, সংরক্ষন, ক্রমবিকাশ, এবং ক্রমোন্নতি একমাত্র সেই আল্লাহর দান, যিনি অসীম জ্ঞান ও বিচক্ষনতার অধিকারী । যার ইচ্ছা ও আদেশ নিরংকুশভাবে আসমান ও জমিনের প্রতিটি অনুপরমানুর মধ্যে সক্রিয় রয়েছে, যার হাতে রয়েছে জীবিকার চাবিকাঠি ও জীবন-মৃতু্যর বাগডোর এবং যিনি সমস্ত শক্তি ও ক্ষমতার উৎস।
আখেরাত – পৃথিবীর জীবনই মানব-জীবনের শেষ নয়, মৃতু্যর পর মানুষকে আখেরাতের অনন্ত জীবনে প্রবেশ করতে হবে। মহাপরাক্রান্ত আল্লাহর সামনে তার পার্থিব জীবনের প্রতিটি মুহুত্ব ও কাজের হিসেব দিতে হবে। পার্থিব জীবনে কেবলমাত্র আল্লাহ প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী গোটা জীবন পরিচালিত করলেই আখেরাতের সাফল্য ও কৃতকার্যতা অর্জিত হতে পারে।
রিসালাত – আল্লাহ যুগে যুগে মানব জাতির পথ নির্দেশের জন্য নির্ভুল জ্ঞান নবী ও রাসূলদের এ দুনিয়ায় প্রেরন করেছেন। আল্লাহ প্রদত্ত রাসূল(সা:) প্রদর্শিত জীবন বিধানই মানব জাতির সিরাতুল মুসতাকিম সহজ ও নির্ভুল চলার পথ। বিশ্ব নবী মুহাম্মদ (সা:) সর্বশেষ নবী। তার আনীত আল-কুরআন এবং উপস্থাপিত জীবনাদর্শই গোটা মানব জাতিকে কিয়ামত পর্যন্ত সঠিক পথের সন্ধান দিবে;এবং
খেলাফাত – ইসলামের বিধানগুলোকে পূর্নভাবে গ্রহন করে নেয়ার মধ্যেই নিহিত রয়েছে মানব মুক্তি ও কল্যান। যখনই কৃষ্টি-সভ্যতা এবং সমাজব্যবস্থাকে ইসলামের মূলনীতি থেকে অপসারিত করে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে, তখনই মানবতাকে অকল্যান ও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। ইসলামী জীবন বিধানের প্রতি উৎকর্ষতাই বর্তমান জগতের সমস্ত অশান্তির মূল কারণ এবং ইসলামী জীবনবিধানের অনুসরনই এই শোষনীয় অবস্থা দূর করার একমাত্র উপায়।
সিদ্বান্তঃ
আনুগত্য – আল্লাহর আনুগত্য এবং রাসূল (সা:)-এর অনুসরনই আমাদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হবে। আমরা সকল প্রকার আনুগত্য ও দাসত্ব পরিত্যাগ করে একমাত্র আল্লাহর আনুগত্য ও দাসত্ব অবলম্বন করব। সর্ব প্রকার মত, পথ ও বিধান ত্যাগ করে একমাত্র রাসূল(স:) এর আদর্শ জীবন ও পদাংক অনুসরন করব। আমাদের এ আনুগত্য ও অনুসরন জীবনের কোন একটি বিভাগের জন্য হবে না, বরং জীবনের প্রতিটি দিক ও বিভাগে পরিব্যাপ্ত হবে।
দাওয়াত – আমরা আমাদের জীবনকে ইসলামের আলোকে উদ্ভাসিত করে তুলব এবং মানবসমাজকে আল্লাহর আনুগত্য ও রাসূল (সা:) এর অনুসরণের দিকে ডাকব। আমাদের সংগ্রাম-সার্বিক প্রচেষ্টা-একমাত্র এ উদ্দেশ্যেই নিয়োজিত থাকবে, যেন পৃথিবীর বুকে আল্লাহর বাণী সর্বোচ্চ মর্যাদা লাভ করে, রাসূল (সা:)-এর প্রদর্শিত বিধান পৃথিবীর বুকে সঠিক অর্থে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মানব জাতি ইসলামের ভিত্তিতে তাদের সামগ্রিক জীবন গড়ে তুলতে সহজ হয়। এবং
বিপ্লব – বিশ্বব্যাপী ইসলামী বিপ্লবের পদক্ষেপ হিসেবে আমরা সর্বপ্রথম বাংলাদেশে ইসলামী আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সমস্ত শক্তি ও সামর্থ্য নিয়োজিত করব।
ধারাসমূহ
* ধারা-১ : ত্রই সংগঠনের নাম ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির”।
* ধারা-২ : লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য_আল্লাহ প্রদত্ত রাসূল (সা:) ত্রর প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পুণবিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তুুষ্টি অর্জন।
* ধারা-৩ : ত্রই সংগঠনের ৫ দফা কর্মসূচি।
দাওয়াত ঃ
তরুন ছাত্র সমাজের কাছে ইসলামের আহবান পেঁৗছে দিয়ে তাদের মাঝে ইসলামী জ্ঞান অর্জন ত্রবং বাস্তব জীবনে ইসলামের পূর্ণ অনুশীলনের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করা।
সংগঠন ঃ যে সব ছাত্র ইসলামী জীবন বিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুুত তাদেরকে সংগঠনের অধীনে সংগবদ্ধ করা।
প্রশিক্ষন ঃ ত্রই সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ ছাত্রদেরকে ইসলামী জ্ঞান প্রদান ত্রবং আদর্শ চরিবানরুপে গড়ে তুলে জাহেলিয়াতের সমস্ত চ্যালেঞ্জ্যের মোকাবিলায় ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করার যোগ্যতাসম্পূর্ণ কর্মী হিসেবে গড়ার কার্যকরী ব্যবস্থা করা।
ইসলামী শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্রসমাজ ঃ আদর্শ নাগরিক তৈরীর উদ্দেশ্যে ইসলামী মূল্যবাধের ভিত্তিতে শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন সাধনের দাবীতে সংগ্রাম ত্রবং ছাত্র সমাজের প্রকৃত সমস্যা সমাধানের সংগ্রাম নেতৃত্ব প্রদান।
ইসলামী সমাজ বিনির্মান ঃ অর্থনৈতিক শোষন, রাজনৈতিক নিপীড়ন ত্রবং সাংস্কৃতিক গোলামী হতে মনবতার মুক্তির জন্য ইসলামী বিপ্লব সাধনে সর্বাত্বক প্রচেষ্টা চালানো।
সদস্য
* ধারা-৪ : একজন শিক্ষার্থী যদি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে তার জীবনের লক্ষ্্য ও উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহন করেন, এ সংগঠনের কর্মসূচী ও কর্মপদ্ধতির সাথে পূর্ণ ঐক্যমত পোষন করেন ও তা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেন, এ সংগঠনের সংবিধানকে সম্পূর্ণরুপে মেনে চলেন, তার জীবনে ইসলাম নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ যথাযথভাবে পালন করেন, কবীরাগুনাহ সমূহ থেকে দূরে থাকেন এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও কর্মসূচীর বিপরীত কোন সংস্থার সঙ্গে কোন সম্পর্ক না রাখেন, তাহলে তিনি এই সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করতে পারেন।
* ধারা-৫ : সদস্যপদ লাভে ইচ্ছুক কোন কর্মী কেন্দ্রিয় সভাপতি হতে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথভাবে পূরন করত: কার্যকরী পরিষদ কতর্ৃক অনুমোদিত পন্থায় কেন্দ্রিয় সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেবেন এবং কেন্দ্রিয় সভাপতি তা মঞ্জুর করবেন এবং তার সদস্য পদের শপথ নেয়ার ব্যবস্থা করবেন। মঞ্জুর না করলে তার কারণ কার্যকরী পরিষদের নিকট ব্যাখ্যা করতে বাধ্য থাকবেন।
* ধারা-৬ : কোন সদস্য যদি সংবিধানের ৪ নং ধারায় বর্নিত বিষয়সমূহ আংশিক বা পূর্ণভাবে লঙ্গন করেন অথবা সদস্য হওয়াকালীন প্রদত্ত প্রতিশু্রতি ভঙ্গ করেন অথবা সংগঠনের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করেন অথবা তাকে সংশোধনের প্রচেষ্টা সত্তেও দীর্ঘদিন পর্যনত্ম সংগঠনের কাজে অবহেলা কওে চলেন, তাহলে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক গৃহিত নির্ধারিত পন্থায় তার সদস্য পদ বাতিল করা হবে।
* ধারা-৭ : যদি কোন সদস্য তার সদস্য পদ থেকে ইসত্মফা দিতে চান তাহলে তাকে কেন্দ্রিয় সভাপতির নিকট পদত্যাগপত্র পেশ করতে হবে। কেন্দ্রিয় সভাপতি তার পদত্যাগপত্র পাওয়ার সাথে সাথে তার সদস্যপদ মূলতবী হয়ে যাবে এবং কেন্দ্রিয় সভাপতির অনুমোদনের পর পরই তার সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে।
সাথী
* ধারা-৯ : যদি কোন শিক্ষার্থী এ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষন করেন ,সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতনভাবে ত্রকমত হন, ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্বসমূহ পালন করেন ত্রবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগঠনের সাথী হতে পারেন।
* ধারা-১০ : সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কতর্ৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেদনপত্র পূরন করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে জমা দিবেন ত্রবং কেন্দ্রীয় সভাপতি তা মঞ্জুর করে নিবেন।
* ধারা-১১ : যদি কোন সাথী সংবিধানের ৯নং ধারায় বর্ণিত নিয়মসমূহ আংশিক বা পূর্ণরুপে লঙ্গন করেন ,তাহলে কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি উক্ত সাথীর সাথী পদ বাতিল করতে পারেন।
কেন্দ্রীয় সংগঠন
* ধারা-১২ : কেন্দ্রীয় সংগঠন কেন্দ্রীয় সভাপতি, কার্যকরী পরিষদ ত্রবং ত্রকটি সেক্রেটারিয়েট সমন্বয়ে গঠিত হয়।
* ধারা-১৩ : ত্রই সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সংগঠনের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে ত্রক বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।
* ধারা-১৬ : কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, ত্রই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হাসিল, পরিচালনা, কর্মসূচির বাস্তবায়ন সর্বাকৃষ্ট সাংগঠনিক শৃংখলা প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষন।
* ধারা-১৯ : সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রতি ১২৫ জনে ত্রকজন হারে অবশিষ্ট সংখ্যার জন্য ত্রকজন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যকরী পরিষদ ত্রক বছরের জন্য গঠিত হবে ত্রবং সভাপতি প্রয়াজনবোধ করলে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ত্রক-তৃতীয়াংশের বেশী হবে না, ত্রমন সংখ্যক সদস্যকে ত্রবং কার্যকরী পরিষদের প্রাক্তন সদস্যদের মধ্যে থেকে অনুধর্্ব দু’জনকে কার্যকরী পরিষদের পরামর্শক্রমে পরিশষদের অন্তভূক্ত করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় সভাপতি কার্যকরী পরিষদের সভাপতি থাকবেন ত্রবং সেক্রেটারী জেনারেল পদাধিকার বলে কার্যকরী পরিষদের সদস্য থাকবেন।
কার্যকরী পরিষদ
* ধারা-২০ : কার্যকরী পরিষদের সদস্যগন কেন্দ্রীয় সভাপতির ব্যবস্থাপনায় শফথ গ্রহন করবেন।
* ধারা-২১ : কার্যকরী পরিষদের কোন সদস্যদের পদ শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যেই তা পূরন করতে হবে।
* ধারা-২২ : সামগ্রিকভাবে কার্যকরী পরিষদের ও ব্যক্তিগতভাবে এর সদস্যদের দায়িত্ব হচ্ছে নিজেদের তত্বাবধান, কেন্দ্রিয় সভাপতির তত্বাবধান, সংগঠনে ইসলামী নীতির অনুসৃতির তত্বাবধান, সংগঠনের কর্মসূচী বাস্তবায়নের তত্বাবধান ও পর্যবেক্ষন, সংবিধান অনুসৃতির তত্বাবধান, সংগঠনের যে কোন ক্রটি দূরীকরন, সংগঠনের সামগ্রিক কাজের মৌলিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, কেন্দ্রিয় সভাপতিকে পরামর্শদান, নি:সংকোচে মত প্রকাশ এবং কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনে নিয়মিত যোগদান অথবা অভিমত প্রেরন।
সেক্রেটারিয়েট
* আরা-২৭ : সেক্রেটারী জেনারেলের সেক্রেটারিয়েটের বিভাগগুলোর কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার দায়িত্ব থাকবে। অধ:স্তন সংগঠনগুলোর ও কর্মীদের উপর দৃষ্টি রাখা এবং কেন্দ্রিয় সভাপতিকে সমস্ত বিষয়ে ওয়াকিফহাল রাখা তার দায়িত্বের অনতভর্ুক্ত হবে।
* ধারা-২৮ : কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সর্বোতভাবে সহযোগিতা করাই সেক্রেটারিয়েটের দায়িত্ব ও কর্তব্য ত্রবং সেক্রেটারিয়েট কাজের জন্য সভাপতির নিকট দায়ী থাকবেন।
সদস্য শাখা
* ধারা-৩১ : কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনার ভিত্তিতে সংগঠনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও কেন্দ্রীয় সভাপতির নির্দেশাবলী পালনেই সদস্য শাখার দায়িত্ব ও কর্তব্য।
ধারা-৩৪ : ত্রই সংগঠনের সভাপতি বা কার্যকরী পরিষদের সদস্য বা অন্য যে কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি নির্বাচন করা কালে ব্যক্তির আল্লাহ ও রাসূল (সা:) ত্রর প্রতি আনুগত্য, তাকওয়া, আদর্শের সঠিক জ্ঞানের পরিসর, সাংগঠনিক প্রজ্ঞা, শৃংখলাবিধানের যোগ্যতা, মানষিক ভারসাম্য, উদ্ভাবনী শক্তি, কর্মের দৃড়তা, অনড় মনোবল, আমানতদারী ত্রবং পদের প্রতি লোভহীনতার দিকে অবশ্যই নজর রাখতে হবে।
অর্থব্যবস্থা
* ধারা-৩৬ : সংগঠনের প্রত্যেক স্তরে বায়তুলমাল থাকবে। কর্মী ও শুভাকাংখীদের দান, সংগঠন প্রকাশনীর মুনাফা ত্রবং যাকাতই হবে বায়তুলমালের আয়ের উৎস।
* ধারা-৩৭ : সংশ্লিষ্ট সভাপতি সংগঠনের কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও অন্যান্য সাংগঠনিক কাজে বায়তুলমালের অর্থ ব্যয় করেন।
* ধারা-৩৮ : বায়তুলমালের যাকাত সংগ্রহ করতে হলে পূর্বাহ্নে কেন্দ্রীয় সভাপতির অনুমতি নিতে হবে ত্রবং যাকাত থেকে প্রাপ্ত অর্থের হিসাব পৃথক রাখতে হবে। ত্রই অর্থ কেবলমাত্র শরীয়ত নির্ধারিত খাতে ব্যয় করতে হবে।
* ধারা-৩৯ : অধ:স্তন সংগঠনগুলো বায়তুলমাল থেকে নিয়মিতভাবে নির্ধারিত অংশ উধর্্বতন বায়তুলমালে জমা দিবে।
পদচু্যত
* ধারা-৪১ : কেন্দ্রীয় সভাপতি যদি স্বেচ্ছায় শরীয়তের স্পষ্ট বিধান লংগন করেন অথবা তার কার্যক্রমে সংগঠনের ক্ষতি হবার আশঙ্কা দেখা দেয় তাহলে তাকে পদচু্যত করা যাবে।
বিবিধ
* ধারা-৪৯ : জানুয়ারী মাস থেকে এ সংগঠনের সাংগঠনিক বছর শুরু হবে।
* ধারা-৫০ : এ সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট যেসব ছাত্রের শিক্ষাজীবন সমাপ্ত হয়ে যাবে তাদেরকে নিয়ে এ সংগঠনের ত্রকটি ভ্রাতৃশিবির গঠি হবে

This free website was made using Yola.

No HTML skills required. Build your website in minutes.

Go to www.yola.com and sign up today!

Make a free website with Yola